মিয়ানমারে সামরিক স্বৈরতান্ত্রিক সরকার বিরোধী
নিপীড়িত জাতি ও জনগণের মুক্তি সংগ্রাম প্রসঙ্গে
মিয়ানমারে সামরিক স্বৈরতান্ত্রিক সরকার বিরোধী
নিপীড়িত জাতি ও জনগণের মুক্তি সংগ্রাম প্রসঙ্গে
আন্দোলন প্রতিবেদন
শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
২০২১ সালের ১ ফেব্রয়ারি মিয়ানমার তথা বার্মার সামরিক জান্তা জেনারেল মিন অং-এর নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী ক্যু ঘটায় এবং রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে নেয়। তারা "গণতন্ত্র"-পন্থি পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের আশীর্বাদপুষ্ট অং সান সূচিকে গ্রেফতার করে সামরিক শাসন জারি করে। এর প্রতিবাদে বার্মার ছাত্র-তরুণ-বুদ্ধিজীবীরা রাস্তায় বিক্ষোভ শুরু করেন। দ্রুত এ বিক্ষোভ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং নানা শ্রেণি-পেশার সাধারণ জনগণও এতে যুক্ত হন। দ্রুত সময়ের মধ্যে জান্তা সরকার আন্দোলন ও বিদ্রোহকারী ছাত্র-জনতার উপর ব্যাপক দমনাভিযান শুরু করে। হাজার হাজার ছাত্র-বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিক সহ বিদ্রোহীদের গ্রেফতার করা হয় এবং অসংখ্য/অগণিত মানুষ জান্তার দ্বারা হত্যার শিকার হন। এই আন্দোলন কয়েক মাস চলার পরে থেমে যায় প্রচণ্ড দমন-পীড়ন-ধরপাকড়ে। যদিও আন্দোলনকারী ছাত্র-যুবকরা এরই মধ্যে বিকল্প পথের সন্ধান শুরু করেন।
২০২১ সালের এপ্রিল/মে মাস থেকেই নিরস্ত্র বিক্ষোভ ব্যর্থ হলে, ছাত্র-যুবকরা দলে দলে গ্রামে যেতে শুরু করেন। তারা কোথাও কোথাও নিজেরাই সশস্ত্র বাহিনী/গেরিলা বাহিনী গড়ে তোলেন। এদের মধ্যে অন্যতম Bamar Peoples Liberation Army বা বামার গণমুক্তি বাহিনী। এই গেরিলা বাহিনী সংগ্রামী তরুণদের নেতৃত্বে ২০২১ সালের ১৭ এপ্রিল বার্মার নববর্ষের দিনে গঠিত হয়। আর এটা সম্ভব হয় মিয়ানমারের ঐতিহাসিক জাতীয়তাবাদী মুক্তি সংগ্রামী দলগুলোর বদৌলতো। শান, চিন, কারেন, রাখাইন সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে ৭৫ বছর ধরে জাতীয় মুক্তির সংগ্রাম চলছে। এসব রাজ্যে জাতীয়তাবাদী সংগঠন সমূহ আগে থেকেই যথেষ্ট শক্তিশালী। তবে তারা সামরিক জান্তার ক্যু হবার পর থেকে অন্যান্য প্রদেশের বিদ্রোহীগ্রুপ এবং নিজেদের অঞ্চলেও ঐক্যবদ্ধ হয়ে জান্তা বিরোধী সংগ্রাম শুরু করে। এসব রাজ্যে বর্তমানে সামরিক জান্তা প্রায় ৮০% ক্ষমতা হারিয়েছে বিদ্রোহী সেনাবাহিনীর হাতে। যুদ্ধের বর্তমান গতিপ্রকৃতি বিদ্রোহী গ্রুপগুলোর পক্ষেই রয়েছে। তথাপি সেখানে বিপ্লবী, জাতীয়তাবাদী ও জান্তা বিরোধী জোটগুলোর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। যা শুধু বন্দুক দিয়ে সমাধান সম্ভব নয়। কেবলমাত্র বিপ্লবী আদর্শগত ও রাজনৈতিক বোধ এবং শিক্ষা এর সমাধান দিতে পারে।
প্রথমত, জান্তাবিরোধী প্রায় সকল পক্ষই (এমনকি প্রবলভাবে জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম বিরোধী সংখ্যাগরিষ্ঠ বামাররাও) বর্তমানে বিচ্ছিন্নতার অধিকারসহ একটি ফেডারেল ধরনের রাষ্ট্রের রূপরেখা হাজির করেছে। এক অর্থে এটা সংগ্রামের অর্জন। কারণ, অন্তত এভাবে বার্মায় জাতীয় মুক্তির পক্ষে জনমত কখনোই তৈরি হয়নি।
দ্বিতীয়ত, জান্তা বিরোধী রাজনৈতিক সার্বিক কোনো ঐক্যবদ্ধ অবস্থান এখনো পর্যন্ত তৈরি হয়নি। এটা সত্য যে, বার্মার প্রায় সকল বিদ্রোহী গ্রুপ সামরিক ভাবে ঐক্যবদ্ধ আক্রমণ চালাচ্ছে। কিন্তু শুধুমাত্র সামরিক সফলতা দিয়ে বার্মার জনগণের মুক্তি পরিণতি পাবে না।
তৃতীয়ত, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বার্মায় কোনো ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবী পার্টি এই মুহূর্তে নেই। যার ফলে জান্তা বিরোধী সশস্ত্র সংগ্রাম শেষ পর্যন্ত আপস এবং কিছু চুনকাম করে তথাকথিত ফেডারেল ধরনের একটি রাষ্ট্র গঠনের দিকে যেতে পারে।
আপাতত মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ-ভারত এমনকি চীনও এমনটাই চাইছে বলে মনে হচ্ছে। এই উভয় সাম্রাজ্যবাদী পক্ষ মিয়ানমারের এসব বিদ্রোহী গোষ্ঠীসমূহকে নানাভাবে প্রভাবিত ও চাপ প্রয়োগ করে এমন একটি আপসের পথেই হাঁটাতে চাইছে। একইসাথে অন্তত চীন বার্মার সামরিক সরকারের সাথেও সম্পর্ক রেখে চলেছে।
অন্যদিকে এই যুদ্ধ নতুনভাবে বার্মার তরুণদের সামনে বিপ্লবী রাজনীতি ও সমাজ পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে। কিন্তু এই যুদ্ধ সঠিক রাজনৈতিক দিশার অভাবে জান্তার সাথে আপসের মধ্যে শেষ হতে পারে। কিন্তু এই পরিস্থিতি নিশ্চয়ই এই তরুণদের সমগ্র অংশকে সন্তুষ্ট করতে পারবে না।
আমাদের দেশের হাসিনা-আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার লোক দেখানো ফিলিস্তিনের সংগ্রামের পক্ষ নিলেও প্রতিবেশী মিয়ানমার-এর জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের বিরোধিতা করছে। হাসিনা একদিকে বাংলাদেশে ১১ লক্ষাধিক শরণার্থী রোহিঙ্গা প্রশ্নে নাটক করে চলেছে, অন্যদিকে মিয়ানমারের জান্তার পক্ষ নিয়ে সে দেশের জনগণের উপর হওয়া দমন-নিপীড়নকে সমর্থন করছে। এসবের মধ্য দিয়ে হাসিনা সরকারের মিয়ানমারের জাতিগত প্রশ্নে গণবিরোধী চরিত্র ফুটে উঠছে।
মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ তার বিশ্ব প্রভুত্বের স্বার্থে চীনের বিপরীতে মিয়ানমার জান্তার বিরোধিতা করছে। কারণ জান্তা সরকার চীনের সাথে ঘনিষ্ঠ। এখানে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ গণহত্যার অভিযোগ আনছে, যার সত্যতা রয়েছে। কারণ জান্তার দমন-নির্যাতন এবং যুদ্ধে ৫,০০০-এর অধিক মানুষ এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন, প্রায় ৫০ লাখ মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। কিন্তু একই সময়ে ফিলিস্তিনে প্রয়ে ৪০ হাজার মানুষকে ইযরায়েল হত্যা করলেও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কাছে তা গণহত্যা নয়। সুতরাং এটা পরিষ্কার যে, কোনো সাম্রাজ্যবাদই সাধারণ জনগণের পক্ষে নিঃস্বার্থ অবস্থান নেয় না। এদের সব ভন্ডামি বর্তমানে জনগণের সামনে স্পষ্ট। মিয়ানমারের জনগণকেও সকল সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদের বিরুদ্ধে লড়তে হবে।
মিয়ানমারের সামরিক জান্তাবিরোধী জাতীয় মুক্তির সংগ্রামকে সমর্থনের পাশাপাশি আমরা জোরের সাথে বলছি– মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদের আদর্শে সজ্জিত শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে নয়াগণতান্ত্রিক বিপ্লব ব্যতীত মিয়ানমারের জনগণের মুক্তি আসবে না।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
মিয়ানমারে সামরিক স্বৈরতান্ত্রিক সরকার বিরোধী
নিপীড়িত জাতি ও জনগণের মুক্তি সংগ্রাম প্রসঙ্গে
২০২১ সালের ১ ফেব্রয়ারি মিয়ানমার তথা বার্মার সামরিক জান্তা জেনারেল মিন অং-এর নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী ক্যু ঘটায় এবং রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে নেয়। তারা "গণতন্ত্র"-পন্থি পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের আশীর্বাদপুষ্ট অং সান সূচিকে গ্রেফতার করে সামরিক শাসন জারি করে। এর প্রতিবাদে বার্মার ছাত্র-তরুণ-বুদ্ধিজীবীরা রাস্তায় বিক্ষোভ শুরু করেন। দ্রুত এ বিক্ষোভ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং নানা শ্রেণি-পেশার সাধারণ জনগণও এতে যুক্ত হন। দ্রুত সময়ের মধ্যে জান্তা সরকার আন্দোলন ও বিদ্রোহকারী ছাত্র-জনতার উপর ব্যাপক দমনাভিযান শুরু করে। হাজার হাজার ছাত্র-বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিক সহ বিদ্রোহীদের গ্রেফতার করা হয় এবং অসংখ্য/অগণিত মানুষ জান্তার দ্বারা হত্যার শিকার হন। এই আন্দোলন কয়েক মাস চলার পরে থেমে যায় প্রচণ্ড দমন-পীড়ন-ধরপাকড়ে। যদিও আন্দোলনকারী ছাত্র-যুবকরা এরই মধ্যে বিকল্প পথের সন্ধান শুরু করেন।
২০২১ সালের এপ্রিল/মে মাস থেকেই নিরস্ত্র বিক্ষোভ ব্যর্থ হলে, ছাত্র-যুবকরা দলে দলে গ্রামে যেতে শুরু করেন। তারা কোথাও কোথাও নিজেরাই সশস্ত্র বাহিনী/গেরিলা বাহিনী গড়ে তোলেন। এদের মধ্যে অন্যতম Bamar Peoples Liberation Army বা বামার গণমুক্তি বাহিনী। এই গেরিলা বাহিনী সংগ্রামী তরুণদের নেতৃত্বে ২০২১ সালের ১৭ এপ্রিল বার্মার নববর্ষের দিনে গঠিত হয়। আর এটা সম্ভব হয় মিয়ানমারের ঐতিহাসিক জাতীয়তাবাদী মুক্তি সংগ্রামী দলগুলোর বদৌলতো। শান, চিন, কারেন, রাখাইন সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে ৭৫ বছর ধরে জাতীয় মুক্তির সংগ্রাম চলছে। এসব রাজ্যে জাতীয়তাবাদী সংগঠন সমূহ আগে থেকেই যথেষ্ট শক্তিশালী। তবে তারা সামরিক জান্তার ক্যু হবার পর থেকে অন্যান্য প্রদেশের বিদ্রোহীগ্রুপ এবং নিজেদের অঞ্চলেও ঐক্যবদ্ধ হয়ে জান্তা বিরোধী সংগ্রাম শুরু করে। এসব রাজ্যে বর্তমানে সামরিক জান্তা প্রায় ৮০% ক্ষমতা হারিয়েছে বিদ্রোহী সেনাবাহিনীর হাতে। যুদ্ধের বর্তমান গতিপ্রকৃতি বিদ্রোহী গ্রুপগুলোর পক্ষেই রয়েছে। তথাপি সেখানে বিপ্লবী, জাতীয়তাবাদী ও জান্তা বিরোধী জোটগুলোর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। যা শুধু বন্দুক দিয়ে সমাধান সম্ভব নয়। কেবলমাত্র বিপ্লবী আদর্শগত ও রাজনৈতিক বোধ এবং শিক্ষা এর সমাধান দিতে পারে।
প্রথমত, জান্তাবিরোধী প্রায় সকল পক্ষই (এমনকি প্রবলভাবে জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম বিরোধী সংখ্যাগরিষ্ঠ বামাররাও) বর্তমানে বিচ্ছিন্নতার অধিকারসহ একটি ফেডারেল ধরনের রাষ্ট্রের রূপরেখা হাজির করেছে। এক অর্থে এটা সংগ্রামের অর্জন। কারণ, অন্তত এভাবে বার্মায় জাতীয় মুক্তির পক্ষে জনমত কখনোই তৈরি হয়নি।
দ্বিতীয়ত, জান্তা বিরোধী রাজনৈতিক সার্বিক কোনো ঐক্যবদ্ধ অবস্থান এখনো পর্যন্ত তৈরি হয়নি। এটা সত্য যে, বার্মার প্রায় সকল বিদ্রোহী গ্রুপ সামরিক ভাবে ঐক্যবদ্ধ আক্রমণ চালাচ্ছে। কিন্তু শুধুমাত্র সামরিক সফলতা দিয়ে বার্মার জনগণের মুক্তি পরিণতি পাবে না।
তৃতীয়ত, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বার্মায় কোনো ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবী পার্টি এই মুহূর্তে নেই। যার ফলে জান্তা বিরোধী সশস্ত্র সংগ্রাম শেষ পর্যন্ত আপস এবং কিছু চুনকাম করে তথাকথিত ফেডারেল ধরনের একটি রাষ্ট্র গঠনের দিকে যেতে পারে।
আপাতত মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ-ভারত এমনকি চীনও এমনটাই চাইছে বলে মনে হচ্ছে। এই উভয় সাম্রাজ্যবাদী পক্ষ মিয়ানমারের এসব বিদ্রোহী গোষ্ঠীসমূহকে নানাভাবে প্রভাবিত ও চাপ প্রয়োগ করে এমন একটি আপসের পথেই হাঁটাতে চাইছে। একইসাথে অন্তত চীন বার্মার সামরিক সরকারের সাথেও সম্পর্ক রেখে চলেছে।
অন্যদিকে এই যুদ্ধ নতুনভাবে বার্মার তরুণদের সামনে বিপ্লবী রাজনীতি ও সমাজ পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে। কিন্তু এই যুদ্ধ সঠিক রাজনৈতিক দিশার অভাবে জান্তার সাথে আপসের মধ্যে শেষ হতে পারে। কিন্তু এই পরিস্থিতি নিশ্চয়ই এই তরুণদের সমগ্র অংশকে সন্তুষ্ট করতে পারবে না।
আমাদের দেশের হাসিনা-আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার লোক দেখানো ফিলিস্তিনের সংগ্রামের পক্ষ নিলেও প্রতিবেশী মিয়ানমার-এর জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের বিরোধিতা করছে। হাসিনা একদিকে বাংলাদেশে ১১ লক্ষাধিক শরণার্থী রোহিঙ্গা প্রশ্নে নাটক করে চলেছে, অন্যদিকে মিয়ানমারের জান্তার পক্ষ নিয়ে সে দেশের জনগণের উপর হওয়া দমন-নিপীড়নকে সমর্থন করছে। এসবের মধ্য দিয়ে হাসিনা সরকারের মিয়ানমারের জাতিগত প্রশ্নে গণবিরোধী চরিত্র ফুটে উঠছে।
মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ তার বিশ্ব প্রভুত্বের স্বার্থে চীনের বিপরীতে মিয়ানমার জান্তার বিরোধিতা করছে। কারণ জান্তা সরকার চীনের সাথে ঘনিষ্ঠ। এখানে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ গণহত্যার অভিযোগ আনছে, যার সত্যতা রয়েছে। কারণ জান্তার দমন-নির্যাতন এবং যুদ্ধে ৫,০০০-এর অধিক মানুষ এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন, প্রায় ৫০ লাখ মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। কিন্তু একই সময়ে ফিলিস্তিনে প্রয়ে ৪০ হাজার মানুষকে ইযরায়েল হত্যা করলেও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কাছে তা গণহত্যা নয়। সুতরাং এটা পরিষ্কার যে, কোনো সাম্রাজ্যবাদই সাধারণ জনগণের পক্ষে নিঃস্বার্থ অবস্থান নেয় না। এদের সব ভন্ডামি বর্তমানে জনগণের সামনে স্পষ্ট। মিয়ানমারের জনগণকেও সকল সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদের বিরুদ্ধে লড়তে হবে।
মিয়ানমারের সামরিক জান্তাবিরোধী জাতীয় মুক্তির সংগ্রামকে সমর্থনের পাশাপাশি আমরা জোরের সাথে বলছি– মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদের আদর্শে সজ্জিত শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে নয়াগণতান্ত্রিক বিপ্লব ব্যতীত মিয়ানমারের জনগণের মুক্তি আসবে না।
আরও খবর
- শনি
- রোব
- সোম
- মঙ্গল
- বুধ
- বৃহ
- শুক্র